টাইগার শ্রফ, দিশা পাটানি অভিনীত ‘বাঘী ২’ ছবির রিভিউ

http://newfarminstitute.org/author/erin/?wc-ajax=get_refreshed_fragments by ·

টাইগার অ্যাকশন জঁরে যতটা স্বচ্ছন্দ, রোম্যান্টিক বা অন্য ধরনের অভিনয়ে ততটা নন। বাঘী ২ তে শুরুর কয়েকটি দৃশ্য বাদ দিলে যে অ্যাকশন নির্ভর চিত্রনাট্য ছিল, চেনা পিচে টাইগার তার পুরোপুরি সদ্ব্যবহার করেছেন। 

Buy Phentermine Pay Cod http://therepublicnewsonline.com/a-substandard-conservative-government-or-a-government-in-desperation/ ‘বাঘী ২’ রিভিউ শুরু করার আগে একটা ছোট্টো গল্প বলে নিতে চাই। এতদিনে হয়ত প্রায় সবাই জেনে গিয়েছেন যে টাইগার শ্রফের ‘বাঘী ২’ আসলে বিখ্যাত তেলেগু সিনেমা ‘শণম’ এর অফিশিয়াল রিমেক। মূল সিনেমাটি তেলেগু ভাষায় যথেষ্ট জনপ্রিয় হয়েছিল এবং হিন্দীতে রিমেক হওয়ার আগে তামিলেও ‘সাথিয়া’ নামে রিমেক হয়েছিল। কাজেই এররকম জনপ্রিয় একটি সিনেমা যখন হিন্দীতে বাণিজ্যিক ভাবে সফল বাঘী ফ্র‍্যাঞ্চাইজির অংশ হিসাবে আত্মপ্রকাশ করবে বলে ঠিক হলো, দর্শকদের মধ্যে উত্তেজনার পারদ চড়ছিল একটু একটু করে। অবশেষে গতকাল মুক্তি পেলো ২০১৬ সালের টাইগার শ্রফ-শ্রদ্ধা কাপুরের বাঘীর সিক্যুয়েল ‘বাঘী ২’।

তবে নামে যতই বাঘীর সিক্যুয়েল হোক, দু’বছর আগের বাঘীর সাথে বাঘী ২ যে লিংক করতে গেলে কিন্তু ভুল করবেন। বাঘীর শেষে দেখানো হয় টাইগার তার গুরুর জায়গা নিয়ে তার মার্শাল আর্ট স্কুলে ফিরে এসেছেন। 

http://newfarminstitute.org/product-category/camps/farm-camp-options/?add-to-cart=756 বাঘী ২ এর শুরু থেকেই টাইগার কাশ্মীরে কর্মরত একজন আর্মি অফিসার। নিজের প্রাক্তন প্রেমিকা (দিশা পাটানি)’র নিখোঁজ মেয়ে রিয়াকে খুঁজতে যিনি ফিরে আসেন গোয়াতে। দিশার মেয়ে কিডন্যাপ হয়েছে তার স্কুলের সামনে থেকে। কিন্তু তদন্তে উঠে আসে একের পর এক এমন তথ্য, যে টাইগার বুঝতে পারে, দিশার রিয়া নামে কোনো মেয়েই ছিল না। তার স্বামী এবং আরো অনেকেরই মতে, দিশা মানসিক রোগের শিকার। কিন্তু দিশা তা মানতে কোনোভাবেই রাজি নয়। এরপরেই গল্পে আসতে থাকে একের পর এক টুইস্ট।

দিশার আত্মহত্যা গল্পে নতুন করে অনেক প্রশ্নের জন্ম দিয়ে যায়। টাইগারের সাথে সাথে এক অদ্ভুত দোলাচলে দুলতে থাকেন দর্শকও। সত্যি কি রিয়া নামে কোনো মেয়ের অস্তিত্বই নেই ? নাকি দিশাই শুধু সত্যি কথা বলছেন ? আসল সত্যিটা খুঁজে বার করতে আসরে নামেন টাইগার। গল্প এগিয়ে চলে নিজের গতিতে। 

http://therepublicnewsonline.com/minoritys-call-for-budget-withdrawal-flawed-kwaku-kwarteng/?share=facebook অভিনয় নিয়ে কিছু বলার দরকার। শুরুটা করা যাক টাইগার শ্রফকে দিয়ে। আসলে সমস্যাটা হলো, আমাদের টাইগার অ্যাকশন জঁরে যতটা স্বচ্ছন্দ, রোম্যান্টিক বা অন্য ধরনের অভিনয়ে ততটা নন। বাঘী ২ তে শুরুর কয়েকটি দৃশ্য বাদ দিলে যে অ্যাকশন নির্ভর চিত্রনাট্য ছিল, চেনা পিচে টাইগার তার পুরোপুরি সদ্ব্যবহার করেছেন। কাঠকাঠ অভিব্যক্তি এবং আর্মি অফিসারের ভূমিকায় তাই তার অভিনয় একেবারেই মানানসই হয়েছে। এছাড়াও পার্শ্বচরিত্রে মনোজ বাজপেয়ী বা দর্শন কুমারের মতো অভিনেতাদের অভিনয় ভালো লাগে।

Phentermine Free Fedex Shipping তবে আলাদা করে বলতে হয় রণদীপ হুডার এলএসডি চরিত্রটির কথা। স্বল্প সুযোগে এই পুলিশ অফিসারের চরিত্রটি সিনেমায় এক অদ্ভুত কমিক রিলিফ বয়ে আনে। দিশা পাটানিকে দেখতে অসাধারণ লেগেছে, তবে তার অভিনয়ে এখনো অনেককিছু শেখা বাকি আছে। ভবিষ্যতে তার থেকে আরো ভালো অভিনয়ের অপেক্ষায় রইলাম।

http://therepublicnewsonline.com/npp-walks-into-contempt-landmine/ এবার ছবিতে খারাপ দিকগুলোর দিকে নজর দেওয়া যাক। প্রথমেই বলব, প্রথমার্ধের তুলনায় সিনেমার দ্বিতীয়ার্ধটা বেশ কিছুটা শ্লথ। আসলে ভালো চিত্রনাট্য পাওয়া সত্ত্বেও বেশ কিছু জায়গা এমন ঘেঁটে গিয়েছে যে গল্পের স্বাভাবিক ফ্লো’টা বেশ কিছু জায়গায় নষ্ট হয়েছে। একইসঙ্গে সিনেমার বেশ কিছু জায়গা একেবারেই মানা যায় না। বিশেষত ক্লাইম্যাক্সে যেভাবে টাইগার দৌড়ে এসে হেলিকপ্টারে ওঠে তাতে দৃশ্যটির বিশ্বাসযোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন উঠবেই। তাছাড়া ছবির ভিলেন (কে সেটা বলছি না) পৃথিবীতে এত জায়গা থাকতে ঘন জঙ্গলের ভিতর লুকিয়ে বসে রইলেন কেন, সেটাও ঠিক বোঝা গেল না। তবে সিনেমায় গানের ব্যবহার খুবই সুন্দর, বিশেষত আতিফ আসলামের গলায় ‘আল্লা মুঝে দর্দ কে’ বা জুবিন নটিয়ালের ‘লো সফর’ গানগুলো বাজারে ইতিমধ্যেই হিট। 

http://ncwiseman.com/tag/failure/ সব মিলিয়ে, আপনি যদি বলিউডি অ্যাকশন বা মশালা সিনেমার ফ্যান হন, এই উইকএন্ডে টাইগার শ্রফের ‘বাঘী ২’ আপনার জন্য পারফেক্ট চয়েজ হতেই পারে। শুধু একটাই অনুরোধ, অ্যাকশন সিনগুলোয় লজিক খুঁজতে যাবেন না। বাদবাকি ভালো গল্প এবং ফাটাফাটি অ্যাকশন- দু’ঘন্টা এঞ্জয় করার মতো সমস্ত উপকরণই এ ছবিতে মজুত রয়েছে।

ওহ, আরেকটা কথা। জ্যাকলিন ফার্নান্ডেজের ‘এক দো তিন’ গানের ক্যামিও অত্যন্ত বিরক্তিকর এবং জঘন্য। এমন একটা আইকনিক গানের রিমেক করা কি খুব দরকার ছিল ?

Share this.